Mahid's Diary

মাহিদ – হায় ! কেমন আছেন?

লামিয়া – জি ভালো আপনি কেমন আছেন?

মাহিদ – জি আলহামদুলিল্লাহ ভালো, আপনার নাম কি জানতে পাড়ি?

লামিয়া – তাহামিম আকতার লামিয়া , আপনার?

মাহিদ – মোঃ মাহিদ সরকার, আচ্ছা আপনার বাসা কোথায়?

লামিয়া – ঢাকা , আপনার?

মাহিদ – কুমিল্লা, আচ্ছা আমরা কি ফ্রেন্ড হতে পাড়ি?

লামিয়া – জি হতে পাড়ি

কথক – মাহিদ আজকে পাবজি খেলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলো,
সে ম্যাচ স্টারট অ করে দেয়
তবে ম্যাচ স্টার্ট করার আগে সে ভেবে নিয়েছিলো যদি কোনো মেয়ে তার টিমে আসে তার সাথে রিলেশনে যাবে তাকে তার লাইফ পার্টনার বানাবে,
তখন ম্যাচ স্টার্ট দেয়াতে ভাগ্যক্রমে লামিয়া তার টিমে চলে আসলো
তখনই সে লামিয়ার সাথে কথা বলার চেষ্টা করে তার পর সে লামিয়াকে পাবজিতে অ্যাড করে
অ্যাড করার পর তাকে ফেইসবুক থেকে সে খুজে নিলো এবং লামিয়া কে মেসেজ রিকুয়েস্ট পাঠিয়ে সে পাবজিতে এসে জানালো
আমি আপনাকে মেসেঞ্জারে রিকুয়েস্ট দিয়েছি,
তখনই লামিয়া অবাক হয়ে বললো

লামিয়া – কি আপনি আমার ফেইসবুক একাউন্ট পেলেন কোথায়?

মাহিদ – ব্রেন খাটিয়ে পেয়েছি,

কথক – আসলে লামিয়ার ফেইসবুক একাউন্ট যে কেউ খুজে না পেলেও মাহিদের এসব বিষয়ে খুব ভালো নলেজ থাকায় সে খুব সহজেই লামিয়ার ফেইসবুক একাউন্ট খুজে পেয়ে গেলো।
তার পর থেকেয় প্রায় ফেইসবুকে তাদের কথা হতো তাদের ফ্রেন্ডশিপ আরও গভির হতে লাগলো ।
একদিন হটাত মাহিদ লামিয়া কে বললো

মাহিদ – আচ্ছা আমাকে তোমার কেমন লাগে?

কথক – এখন মাহিদ লামিয়াকে তুমি করেই বলে থাকেন কিন্তু লামিয়াকে মাহিদ অনেকবার বলেছিলো তুমি করে বলতে কিন্তু লামিয়া সব সময় আপনি বলেই বলতেন,

লামিয়া – আপনাকে আমার প্রথম থেকেই ভালো লাগে তাই তো আপনার সাথে কথা বলি

মাহিদ – আচ্ছা যদি কিছু না মনে কর একটা কথা বলি?

লামিয়া – না কি মনে করব বলেন,

মাহিদ – তুমি কি কাউকে ভালোবাসো? কারোর সাথে রিলেশনে আছো?

লামিয়া – না , আর যদি রিলেশনে থাকতাম আপনার কি মনে হয় আপনার সাথে কথা বলতাম?

কথক – লামিয়ার মুখে এই কথা শুনে
তখন মাহিদের মনে এক অজানা আনন্দ এসে উকি দিলো,
মাহিদ তো মহা খুশি তার লাইন ক্লিয়ার তখন মাহিদ
মনে মনে ভাবতে লাগলো যত তারাতারি সম্ভব সে লামিয়া কে তার মনের কথা জানাবে।
যেই ভাবা সেই কাজ
একদিন মাহিদ লামিয়া কে বলতে লাগলো

মাহিদ – আচ্ছা আমি তোমাকে কিছু বলতে চাই যদি তুমি অনুমতি দাও

লামিয়া – হ্যাঁ বলেন অনুমতি নেয়া লাগবে না

মাহিদ – আসলে মানে ইয়ে মানে

লামিয়া – কি মানে মানে করছেন কি বলতে চাচ্ছেন বলে ফেলুন

মাহিদ –
লামু,
এই কথাগুলো লিখতে গিয়ে এখনো আমার বুকটা একটু ভারী লাগছে।
কারণ সব অনুভূতি সহজে বলা যায় না।

সেদিনটা ছিল দিনের শেষ ম্যাচ।
খেলার আগে মাথার ভেতরে হঠাৎ একটা ভাবনা এসেছিল
যদি ওই ম্যাচে কারো সাথে ভালোভাবে কথা বলার সুযোগ হয়,
তাহলে অন্তত মন দিয়ে কথা বলবো, বুঝতে চেষ্টা করবো।

ম্যাচ শুরু হলো,
আর অদ্ভুতভাবে তুমিই আমার টিমে এলে।
সেদিনই সব কিছু শুরু হয়ে গেল
না কোনো পরিকল্পনা, না কোনো অভিনয়।

শুরুতে শুধু কথা বলতে ভালো লাগতো।
তারপর সেই ভালো লাগাটা ধীরে ধীরে অভ্যাসে পরিণত হলো।
দিন শেষে তোমার একটা মেসেজের অপেক্ষা করা,
তোমার সাথে কথা না হলে অকারণ একটা খালি খালি লাগা,
এই জিনিসগুলো আমি নিজেও বুঝতে পারিনি কখন শুরু হয়েছে।

আমি অনেক দিন নিজের মনকে বোঝাতে চেয়েছি,
এটা শুধু বন্ধুত্ব, এর বেশি কিছু না।
কিন্তু মন সব সময় যুক্তি মানে না।
কথা বলতে বলতে, সময়ের সাথে সাথে
এই অনুভূতিটা আমার ভেতরে গভীর জায়গা করে নিয়েছে।

একসময় বুঝলাম
এই কথাটা আর নিজের ভেতরে চেপে রাখা যাবে না।
তোমার কাছে না বললে নিজের কাছেই অসৎ থাকা হবে।

লামু,
আমি কোনো গল্প বানাচ্ছি না,
কোনো কিছু বাড়িয়ে বলছিও না।
এটা যেমন হয়েছে, ঠিক তেমন করেই বলছি
আমি তোমাকে ভালোবাসি।

লামিয়া – কি বলেন এইসব ? আমি আপনাকে ভালোবাসি না, আর কখনও বাসবও না।

মাহিদ – দেখো আমি তোমাকে ঝোড় করব না তুমি সময় নিয়ে ভেবে দেখো ,

লামিয়া – মাহিদ আমি আপনাকে ভালোবাসতে পারবো না,

মাহিদ – কেনো পারবে না?

লামিয়া – মাহিদ আমি চাইনা কোনো রিলেশনে ঝড়াতে,

মাহিদ – দেখো আমি তোমাকে ঝোড় করছি না তুমি সময় নেও আমি অপেক্ষা করব তোমার জন্য

কথক – সেদিনের মতো আর লামিয়া মাহিদের সাথে কথা বলে নি ,
লামিয়া চায় না কোন রিলেশনে ঝড়াতে ,
লামিয়া চাইতো না মাহিদ কষ্ট পাক,
তবে মাহিদ যে তাকে অসম্ভব রকমের ভালোবেসে ফেলেছে ,
তার মায়ায় পড়ে গেছে , সে যে কোন ভাবে লামিয়া কে ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে পারে না,
সে দিন আর তাদের কথা হয় নি
সে দিনের পর থেকে মাহিদ প্রতি দিন লামিয়া কে ভালোবাসি কথা টা বলতো
আর লামিয়ার একটাই কথা আমি আপনাকে ভালোবাসতে পারবো না,

মাহিদ যতই লামিয়াকে ভালোবাসি বলতো দিন শেষে তার থেকে অবহেলা ছাড়া কিছুই পেতো না।
তবে তাদের মধ্যে অনেক কথা হতো ঠিক যেন প্রেমিক প্রেমিকা,
যে কেউ তাদের কথা বলার দরন দেখে বলবে যে তারা রিলশনে আছে একে অপর কে ভালোবাসে,
এরকম ভাবে প্রায় ১ বছর কেটে গেলো তাদের মধ্যে মাঝে মাঝেই রাগা রাগি হতো ঝগড়া হতো এই ভালোবাসি কথা নিয়ে লামিয়া তাকে ব্লক করে দিতো তার পর মাহিদ আবার নতুন একাউন্ট বানিয়ে
তাকে আবার মেসেজ দিতো

মাহিদ – লামু ঐ লামু
লামু প্লিজ কথা বলোনা
লামু তোমার সাথে কথা না বললে না আমার ধম বন্ধ হয়ে আসে প্লিজ কথা বল,
আমাকে আনব্লক কর প্লিজ

কথক – তখন লামিয়া আবার আনব্লক করে মাহিদের সাথে কথা বলতো
লামিয়াকে ভালোবাসার কথা বললেই মাহিদ রেগে যেতো,
মাহিদ সুরুতে লামিয়াকে এতো ঝোড় না করলেও দিন যত যেত মাহিদের ঝোড় করার পরিমান টাও বেড়ে যাচ্ছিলো কারন মাহিদ কোন ভাবেই তার অবহেলা সহ্য করতে পারছিলো না
একদিন মাহিদ লামিয়া কে বলে

মাহিদ – আচ্ছা লামু তুমি কি সত্যিই কাউকে ভালোবাসো না? আর যদি কাউকে ভালো নাই বাসো তাহলে আমাকে কি তোমার পছন্দ না?

লামিয়া – মাহিদ আপনাকে আমার ভালো লাগে , কিন্তু আমি কোন সম্পর্কে ঝড়াতে চাইনা।

মাহিদ – যদি তুমি কাউকে ভালো নাই বাসো তাহলে এরকম কি প্রবলেম হচ্ছে যার কারনে তুমি আমাকে ভালোবাসতে পারবে না, তুমি তো আমাকে শুরু থেকেই পছন্দ করতে
তাহলে কেন ভালোবাসতে পাড়বে না?

লামিয়া – মাহিদ আমি আপনাকে সে দিন থেকেই ভালোবেসেছি যে দিন আপনাকে ব্লক করার পর আপনি অন্য একাউন্ট দিয়ে আমাকে খুজে বার বার মেসেজ দিচ্ছিলেন বার বার রিকুয়েস্ট করছিলেন কথা বলতে

মাহিদ – সত্যিই কি তুমি আমাকে ভালোবাসো?

লামিয়া – দেখেন মাহিদ আমি কোন রিলেহনে ঝড়াতে পারবো না

মাহিদ – তুমি না আমাকে ভালোবাসো ?

লামিয়া – জানি না

মাহিদ – তুমি না বললা ভালোবাসো সে দিন থেকে তাহলে?

লামিয়া – দেখেন মাহিদ আমি আপনাকে ভালোবাসতে পাড়বো না

মাহিদ – কেনো পাড়বে না ?

লামিয়া – দেখেন মাহিদ আমার ফ্যামিলি কখনই আমাদের মেনে নিবে না
আমার বাবা অনেক রাগি তিনি কখনই এটা মেনে নিবে না ,

মাহিদ – আচ্ছা তাহলে আমরা পালিয়ে বিয়ে করে নিবো।

লামিয়া – না মাহিদ আমি পারবো না আমি চাইনা আমার কারনে আমার বাবার সম্মান নষ্ট হোক
আমি পালিইয়ে গেলো মানুষ আমার বাবাকে অসম্মান করবে যা তা বলবে ।

মাহিদ – তাহলে তুমি তোমার আম্মুর সাথে আমাদের কথা বলে দেখো না উনি কি বলে।

কথক – সে দিনের মতো তাদের কথা এখানেই শেষ পড়ের দিন মাহিদ লামিয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলো লামিয়া কি খবর নিয়ে আসে সেটা শোনার জন্য মাহিদ অদির আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলো
তখনই লামিয়া অনলাইনে আসে

মাহিদ – লামু কেমন আছো?

লামিয়া – ভালো আপনি?

মাহিদ – আলহামদুলিল্লাহ ভালো , আচ্ছা তোমার আম্মু কি বললো

লামিয়া – আমি আম্মু কে জিজ্ঞেস করেছিলাম
আম্মু আমার যদি কাউকে পছন্দ থাকে তোমরা কি মেনে নিবে?

জবাবে তার মা , এই কথা আমাকে বলছছ বলছছ তোর বাবার কানে যেন না যায়

কথক – আসলে আপনাদের কি মনে হয় লামিয়া কি এই কথা তার আম্মুকে জিজ্ঞেস করেছিলো ?
না সে মাহিদ কে তার পিছু ছাড়ানোর জন্য এই কথা বলল
লামিয়া মাহিদ কে বললো

লামিয়া – মাহিদ আমার বাবা অনেক রাগি আমার আপুর বিয়ে তিনি হুট করেই দিয়ে দেন আপু কিছুই জানত না কলেজ থেকে এসেই দেখে তার বিয়ে ঠিক করে রাখছে
গ্রামের এক ছেলের সাথে তাকে কিছু বলার সুজুগ দেয় নি তার মত ছাড়াই তাকে বিয়ে দিয়ে দিয়েছে,

মাহিদ – কি বলো

লামিয়া – হুম হয়তো আমাকেও দিয়ে দিবেন যে কোন সময় আর আপনার বাড়ি অনেক দূর আমার বাবা এতো দূরে বিয়ে দিবে না,

মাহিদ – কেন দিবে না?

লামিয়া – সে দিন মিরপুর থেকে আমাকে দেখতে আসছিলো মিরপুর দূর বলে সেখানে না করে দিয়েছে আপনি বলেন কুমিল্লা উনি কি ভাবে মেনে নিবে?

কথক – তখন মাহিদ আর কি বলবে একবুক হতাশা আর কষ্ট নিয়ে শুয়ে পড়লো তার চোখে ঘুম নাই
সে শুধু লামিয়া কে কি ভাবে পাবে কি করলে লামিয়া তার হবে তা নিয়েই ভাবতে থাকে একদিন লামিয়া

লামিয়া – মাহিদ আমার আব্বা আমার আব্বুর বন্ধুর সাথে আমাকে নিয়ে কথা বলে আসছে তারা নাকি আমাকে দেখতে আসবে,

মাহিদ – কি বলো ? প্লিজ তুমি তাদের সামনে যাইয়ো না যেমনে হক তুমি না করে দা ওতোমার ফ্যামিলি কে …

লামিয়া – মাহিদ উনি আমার আব্বুর বন্ধু আমার মনে হয় উনার ছেলের সাথে আমার বিয়েটা হয়ে যাবে

মাহিদ – প্লিজ লামু তুমি যেমনে হক বিয়ে টা আটকাও তোমার ২ টা পায়ে পরি প্লিজ

কথক – মাহিদ লামিয়াকে অনেক রিকুয়েষ্ট করতে থাকে তার পা দরার জন্য সে প্রস্তুত কিন্তু লামিয়াই বা কি করবে তার বাবার বন্ধু বলে কথা সে কিছু বলার সাহস পাচ্ছে না
মাহিদ তখন অনেক ভেঙ্গে পড়লো
তখন তার বন্ধু নাইম তাকে সান্তনা দিতে থাকলো তা ছাড়া আর কি বা করতে পারবে সে,
মাহিদ আর নাইম এক নির্ঝুম যায়গায় বসে নাইমকে প্রায় কান্না যরিত কন্ঠে বলতে লাগলো

মাহিদ – বন্ধু আমার কি দুষ তুই বল আমি কি তাকে কম ভালোবেসেছিলাম? তাহলে সে কেন এরকম করে আমার সাথে?
আমার ভালোবাসার কি কোন মূল্য নাই তার কাছে,

নাইম – আরে বেটা মন শক্ত কর মন খারাপ করে বসে থাকলে কি সব ঠিক হবে , এরকম আরও কত মেয়ে পাবি এমন একটা গেলে আরও শতটা পাবি

মাহিদ – বন্ধু আমি কি করমু কিছুই বুঝতে পারছি না আমার তো অনেক কষ্ট হচ্ছে কোন ভাবেই নিজের মনকে বুঝাতে পারছি না

নাইম – সব ঠিক হয়ে যাবে আল্লাহর উপর বরসা রাখ

কথক – তখন আর তারা সেখানে বসে থাকলো না নাঈম নেঈমের বাসায় আর মাহিদ তার বাসায় ফিরে আসলো মাহিদ আসার সময় তার চোখ মুখ লাল হয়ে ছিলো তার মা দেখে জিজ্ঞেস করলো কিরে তর এই অবস্থা কেন
তখন মাহিদ বললো

মাহিদ – এমনি কিছু না

কথক – তখন আর তার মা কিছু বললো না মাহিদ তখন নিজের রোমে চলে আসলো আসার পড় দর্জা বন্ধ করে ফুফিয়ে কান্না করতে লাগলো এ ছাড়া তার কি বা করার ছিলো ।
সে নিশ্চিত ভেবে নিয়েছিলো তার লামু হয়তো অন্য কারোর হয়ে যাবে।
সন্ধায় লামিয়া তাকে মেসেজ দিলো

লামিয়া – কি করেন ?

মাহিদ – কি আর করব কিছু না তুমি

লামিয়া – গান শুনি

মাহিদ – বিয়ের কি হলো ?

লামিয়া – না করে দিয়েছে

মাহিদ – কি বলো কেন?

লামিয়া – আরে ছেলে বাহিরে থাকে সে চাচ্ছে আমাদের এখানে কিছুদিন থেকে তার পর বিয়ে করে বাহিরে চলে যাবে
তাই বাবা না করে দিয়েছে আর আমাদের বাসায় কেন থাকবে কত সখ

মাহিদ – অহ আচ্ছা

কথক – তার পর আবার আগের মত তাদের কথা চলতে থাকে ,
আবার আগের মতোই মাহিদ লামিয়াকে বার বার ভালোবাসার অনুভতি গুলো বুঝানোর চেষ্টা করে আর লামিয়া মাহিদ কে অবহেলা করে দূরে সরিয়ে দিতো,
তবে তাদের অনেক কথা হতো যেমন টা প্রেমিক প্রেমিকারা বলে থাকে।

একদিন মাহিদ ফেইসবুকে লামিয়ার আইডি থেকে আসা নটিফিকেশনে দেখে সে একটা গ্রুপে কমেন্ট করেছে তা দেখে মাহিদ সে গ্রুপে জয়েন হয়
যেখানে লামিয়ার কলেজের বান্ধুবি এবং আরও অনেক র‍্যান্ডম ছেলে মেয়ে অ্যাড ছিল
গ্রুপে চ্যাট এ সে জয়েন হয় সে দেখতে পারে লামিয়ারা সেখানে প্রাওয়ই কথা বলে , ফান করে
তবে গ্রুপে রবিন নামে একটা ছেলে ছিলো যার আচার ব্যাবহার মাহিদের কাছে কিছুটা সন্দেহ জনক লাগে
তখনই মাহিদ লামিয়া কে বলে

মাহিদ – লামু এই রবিন টা কে ?

লামিয়া – এটা গ্রুপের থেকে পরিচয় হয়েছে আমার ফ্রেন্ডের কাজিন হয়

মাহিদ – তুমি কি তার সাথে কথা বলো নাকি?

লামিয়া – হুম বলিতো কেন?

মাহিদ – ঐ ছেলের সাথে কথা বলো কেন? আর ঐ ছেলের মতি গতি আমার কাছে কেমন যেন ভালো লাগতেছে না, কেমন যেন লাগছে তার সাথে কথা বলিও না,

লামিয়া – কই আমার কাছে তো তেমন মনে হয় না ,

মাহিদ – দেখো তুমি তার সাথে কথা বলবে না প্লিজ , আমার অনেক কষ্ট হয় ।

লামিয়া – মাহিদ কি শুরু করছেন আপনি আমার যার সাথে ইচ্ছে কথা বলবো আপনার কি?

মাহিদ – আমারই তো সব

লামিয়া – মাহিদ এখন কিন্তু বেসি হয়ে যাচ্ছে , আমি এমনিই কথা বলি আমি তো আর তার সাথে রিলেশনে যাই নাই।

মাহিদ – দেখো তার মতি গতি আমার কোন ভাবেই ভালো লাগছে না , গ্রুপে যে ভাবে তোমাকে রিপ্লায় করে সে গুলা দেখলেই আমার গা ঝলে

লামিয়া – মাহিদ আপনি এরকম শুরু করছেন কেন ?

মাহিদ – কারন আমি তোমাকে ভালোবাসি আমি চাই না তুমি অন্য কোনো ছেলের সাথে কথা বলো , আর অন্য কারোর প্রতি তোমার মায়া জন্মাক , প্লিজ তুমি তার সাথে কথা বইলো না,

লামিয়া – বলবো তাতে আপনার কি ?

কথক – তখন মাহিদ অভিমানি শূরে বললো

মাহিদ – ঠিক আছে তাহলে তুমি তার সাথে কথা বলো আমি চলে যাচ্ছি

লামিয়া – মাহিদ এখন কিন্তু বেসি করে ফেলতেছেন

কথক – মাহিদ আর কোনো কিছু শুনলো না অফলাইনে চলে গেলো
মাহিদের খুব মন খারাপ তার ভালোবাসার মানুষ অন্য একটা ছেলের সাথে কেন কথা বলবে , সে দিন রাতে সে নীরবে অনেক কান্না করলো
আর অনলাইনে আসলো না
সকালে ডাটা অন করতেই দেখতে পেলো
লামিয়া তাকে অনেক গুলো মেসেজ দিয়ে রাখছে
সে অনলাইনে সে তা দেখে কিছুই বলো না অবশ্য মাহিদ যখনই কোন কিছু নিয়ে রেগে অফলাইন হয়ে যেতো তখন সে
বার বার মাহিদ মাহিদ ঐ মাহিদ এরকম মেসজ লিখে কথা বলার চেষ্টা করতো।
লামিয়া মাহিদ কে কোনো রিপ্লাই দিতে না দেখে বার বার কল করতে লাগলো
মাহিদ বার বার তার ফোন কেটে দিলো
কিন্তু একটা সময় সে ফোন দরলো দরার পর মাহিদ লামিয়া কে অভিমানের শূরে বলতে লাগলো

মাহিদ – কি হলো আমাকে বার বার কল দিচ্ছেন কেন যান আপনার রবিনের সাথে কথা বলুন আমার সাথে কথা বলতে হবে না

লামিয়া – আরে আমি তো তার সাথে এমনিই কথা বলছিলাম আপনি বেসি রিয়েকশন করে ফেলতেছেন না

মাহিদ – তুমি কেন অন্য ছেলের সাথে কথা বলবে ? অবশ্য বলবাই না কেন আমি তো আর তোমার কেউ না তুমি তো আমাকে ভালোবাসই না।

লামিয়া – মাহিদ আমি কাউকেই ভালোবাসতে পারবো না আপনি প্লিজ এই গুলা নিয়ে আর কখনো কথা বইলেন না।

মাহিদ – আমি বলবো সব সময় বলবো

লামিয়া – মাহিদ আপনি মুভ অন করেন

মাহিদ – আমি পাড়বো না, যদি বিয়ে করতেই হয় আমি তোমাকেই বিয়ে করব
আমি আমার জীবনের শেষ নিঃশাস পর্যন্ত তোমার জন্য অপেক্ষা করবো যদি তোমার মনে হয় তুমি আমাকে ভালোবাসো তবে ফিরে এসো আমার দর্জা সবসময় তোমার জন্য খোলা থাকবে

লামিয়া – মাহিদ আমি কখনই আসবো না আপনি অপেক্ষা কইরেন না আপনি মুভ অন করুন

মাহিদ – আমি অপেক্ষা করবো ভালো থেকো ,

কথক – এই বলে মাহিদ চলে গেলো সে ভাবছিলো লামিয়া আবার তাকে নক দিবে ২-১ দিন গেলেই লামিয়া তাকে মেসেজ দিবে ,
সে সব সময় লামিয়ার মেসেজের জন্য অপেক্ষা করতে লাগল কেউ মেসেজ দিলেই ভাবতো এই বুঝি লামিয়া তাকে মেসেজ দিলো
কিন্তু মেসেজ চেক করতেই একবুক হতাশা আর মন খারাপ নিয়ে আবারও অপেক্ষা করতে লাগলো এভাবেই কেটে গেলো প্রায় ২০ দিন কিন্তু লামিয়া আর তাকে মেসেজ দেয় না
সে দিন লাস্ট বার কথা বলার পড় লামিয়া তাকে ব্লক করে দিয়েছিলো মুভ অন করার কথা বলে, তবে মাহিদ তো এক বুক আসা নিয়ে বসে আছে এবার হয়তো লামিয়া তাকে মেসেজ দিবে তাকে হয়ত সে মিস করবে।
কিন্তু লামিয়া কখনোই মাহিদ কে বুঝেনি তাকে বুঝতে চেষ্টাও করে নি, সে আরও যে ভাবে পারছে তাকে অবহেলা করেছে,
মাহিদ লামিয়ার সাথে কথা না বলে আর থাকতে পাড়ছে না সে অনেক কষ্ট করে এই ২০ টা দিন কাটিয়েছে ,
২০ দিন পড় মাহিদ লামিয়া কে নতুন একাউন্ট ক্রিয়েট করে মেসেজ দিলো অবশ্য মাহিদের রাগ অভিমান কোনো কিছুরই মূল্য লামিয়ার কাছে ছিলো না
মাহিদ যত বারই রাগ করতো চলে যেতো আবার সে তাকেই লামিয়ার রাগ ভাঙ্গানু লাগতো
অনেক মাহিদ কখনই লামিয়াকে ব্লক করে নি লামিয়া মাহিদকে যতবার ব্লক করেছে মাহিদ নতুন আইডি ক্রিয়েট করে আবার লামিয়া কে মেসেজ দিতো রাগ ভাঙ্গাতো অথচ রাগ মাহিদের ছিলো
২০ দিন পর মাহিদ লামিয়াকে মেসেজ রিকুয়েস্ট দিলো
কিন্তু কোন সারা না পেয়ে সে গ্রুপে লামিয়ার নাম দরে মেসেজ দিলো তখন লামিয়া তাকে মেসেজের রিপ্লাই করলো

লামিয়া – কি হলো আপনি আবার কেন আসছেন?

মাহিদ – দেখো আমি আর অপেক্ষা করতে পারছি না এই ২০ টা দিন অনেক কষ্ট হয়েছে তোমাকে ছাড়া থাকতে তোমার মেসেজের অপেক্ষা করতাম কিন্তু তুমি !
তুমি এতো পাশান যে আমাকে একতা বারের মতও মনে করলে না একতা মেসেজও দিলে না

লামিয়া – মাহিদ আমি না আপনাকে বলেছিলাম মুভ অন করতে ?

মাহিদ – তুমি আমার জীবনের প্রথম ভালোবাসা তুমি কি ভাবে ভাবলে আমি মুভ অন করবো, আমি অপেক্ষায় ছিলাম এই ভেবে তুমি মেসেজ দিবে তাই নিজের যতই কষ্ট হক তোমাকে মেসেজ দেই নি ভেবেছিলাম এবার হয়তো তুমি দিবে
আর তুমি ভেবে বসে আছো আমি মুভ অন করবো? কখনই না লামু আমি তোমাকে ভালোবাসি তোমাকে ছাড়া আমি কিছুই ভাবতে পাড়ি না।

লামিয়া – মাহিদ আমি ভেবেছিলাম আপনি আর আসবেন না তাই আমি রবিনের সাথে কথা বলি এখন আমি তার প্রতি ধুর্বল হয়ে পড়েছি

মাহিদ – কিহ! কি বল এই সব আমি প্রায় ২ বছর যাবত তোমার সাথে কথা বলি এতো দিনে তুমি আমার প্রতি ধুর্বল হলে না এখন কি ভাবে এই অল্প কিছুদিন কথা বলে রবিনের প্রতি তোমার ধুর্বলতা জন্মালো?

লামিয়া – জানিনা মাহিদ

কথক – লামিয়ার কথা শুনে মাহিদ অনেক কষ্ট পেলো তার অনেক মন খারাপ হলো প্রায় ২ বছরের চেষ্টায় সে লামিয়াকে তার প্রতি কোন ভাবে আকৃষ্ট করতে পাড়ল না আর সে কি না অল্প কিছুদিন অন্য একটা ছেলের সাথে কথা বলে তার প্রতি ধুর্বল হয়ে পড়লো?
তখন মাহিদ ডিসিসন নেয় রবিনের সাথে কথা বলার
যে বলা সেই কাজ

মাহিদ তার ফেইক আইডি দিয়ে রবিন কে নক দিলো

মাহিদ – হায়

রবিন – কে আপনি ?

কথক – মাহিদ তার পরিচয় না দিয়ে রবিন কে বলতে লাগলো

মাহিদ – আচ্ছা লামিয়ার সাথে আপনার কি সম্পর্ক?

রবিন – কেনো আপনাকে কেন বলবো?

মাহিদ – কারন আমি লামিয়ার বয়ফ্রেন্ড

রবিন – কই লামিয়াতো কখনো বললো না যে তার বয়ফ্রেন্ড আছে

মাহিদ – আচ্ছা লামিয়া আপনাকে আর কি কি বলেছে?

রবিন – অনেক কিছু

মাহিদ – অনেক কিছু কি বলছে ?

রবিন – আমি জানি লামিয়া কারোর সাথে রিলেশনে নেই, আর আমি লামিয়াকে ভালোবাসি আর লামিয়া হয়তো আমাকে ভালোবাসে

মাহিদ – দেখেন ভাই লামিয়া আমার গার্লফ্রেন্ড আপনি দয়া করে তার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিন প্লিজ……

রবিন – আমাকে না বলে আপনি আপনার গার্লফ্রেন্ড কে বলতে পারেন না?

মাহিদ – দেখেন ভাই সে আমার সাথে রাগ করে আপনার সাথে কথা বলছে আপনি প্লিজ আর তাকে নক দিয়েন না,

রবিন – ভাই আমি তাকে ছাড়তে পারমু না আপনি যা খুশি করেন।

মাহিদ – আচ্ছা সে কি আপনাকে ভালোবাসে বলছে?

রবিন – না বলে নাই তবে সে তার ছবি আমাকে দিয়েছে আমি তাকে ভালোবাসি বলছি সেও মনে হয় ভালোবাসে

মাহিদ – কি বলেন আপনাকে ছবিও দিছে

কথক – রবিনের মুখে ছবির কথা শূনে মাহিদের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে তখন মাহিদ কি করবে বুঝতে পারে না মাহিদ লামিয়া কে মেসেজ দিলো

মাহিদ – লামু তুমি রবিন কে ছবি দিছো কেন?

লামিয়া – সে আমার টিকটকের প্রোফাইল দেখে বললো দিতে রিকুয়েস্ট করলো তাই দিয়েছি

মাহিদ – এখন যদি সে তোমার ছবি নিয়ে কিছু করে তাহলে ?
আমি তো তাকে বলছি আমি তোমার বয়ফ্রেন্ড

লামিয়া – কিহ! আপনি তাকে কেনো বলতে গেলেন এইসব?

মাহিদ – আমি কি করবো আমি চাইনা সে তোমাকে আর মেসেজ দেক

লামিয়া – কিন্তু আপনি কেন বললেন আপনি আমার বয়ফ্রেন্ড এখন যদি সে আমার বান্ধবিদের বলে দেয় তাহলে আমার ফ্যামিলি পর্যন্ত চলে আসবে
মাহিদ এটা আপনি কেন বলতে গেলেন

মাহিদ – আরে কিছুই হবে না, এখন তুমি তাকে কেন পিক দিলে সেটা বল যেখানে আমি তোমাকে তার সাথে কথা বলতেই নিষেদ করেছি ?

লামিয়া – আমাকে রিকুয়েস্ট করেছে তাই দিয়েছি, আর আমাকে এখন রবিন বার বার মেসেজ দিতেছে,

মাহিদ – দেখো কি বলে আর আমাকে জানাও

কথক – লামিয়া রবিনের সাথে কথা বলতে শুরু করলো

রবিন – তোমার বয়ফ্রেন্ড আছে আমাকে আগে বললে না কেন?

লামিয়া – সে আমার বয়ফ্রেন্ড না এমনি ফ্রেন্ড হয়

রবিন – ভালো হয়েছে এখন থেকে তুমি শুধু আমার যদি বেসি বুঝো তাহলে তোমার পিক আমার ফ্রেন্ড দের দিবো যা করার তারা করবে,

লামিয়া – প্লিজ আপনি এরকম কইরেন না আমার ভুল হয়ে গেছে দয়া করে আমাকে এই ভাবে শাস্তি দিয়েন না প্লিজ

রবিন – তুমি মাহিদ কে বল সে যেন তোমার জীবন থেকে সরে যায়

লামিয়া – আপনি প্লিজ আমার ছবি গুলা ডিলিট করে দিন আমি তো আপয়াঙ্কে কোন খারাপ ছবি দেইনি আপনাকে বিশ্বাস করে ছবি গুলো দিয়েছি,
আপনি দয়া করে আমার ছবি গুলো ডিলিট করে দিন

রবিন – ডিলেট করব না

কথক – লামিয়া রবিন কে অনেক রিকুয়েস্ট করতে থাকে কিন্তু রবিন কোন ভাবেই তার কথা শুনে না বার বার তাকে ভয় দেখাতে থাকে
তখন যা যা হচ্ছে সব লামিয়া মাহিদ কে বলছে মাহিদ আর লামিয়া ২ জনেই অনেক টেনশনে পড়ে গেলো কি করবে , লামিয়া পুরাই ভেঙ্গে পড়লো যদি সত্যি সত্যি রবিন কিছু একটা করে ফেলে তাহলে লামিয়া তার ফ্যামিলির সামনে মুখ দেখাবে কি করে এ চিন্তা করতে করতে লামিয়ার নাজেহাল অবস্থা ।
লামিয়া কোন ভাবেই নিজেকে শান্ত করতে পারছে না , মাহিদ তাকে প্রতি নিয়তই সাহস দিচ্ছে মাহিদ লামিয়াকে বুঝাচ্ছে

মাহিদ – দেখো তুমি যত ভেঙ্গে পরবে সে তোমাকে আরও ভেঙ্গে ফেলবে তুমি শক্ত হও দেখবে সে কিছুই করবে না
তুমি তার কাছে যত নত হবে সে ততই তোমার ধুর্বলতার সুজুগ নিবে তাই মন শক্ত কর।

লামিয়া – কি ভাবে করবো যদি সে সত্যিই কিছু করে ফেলে

কথক – তখন মাহিদ রেগে গিয়ে লামিয়া কে ধমকের শূরে বলে

মাহিদ – তোর যখন এতই ভয় তাইলে তুই পিক দিলি কেন ? তরে আমি বলি নাই রবিনের সাথে কথা বলবি না তার আচার ব্যাবহার আমার কাছে সুবিধার মনে হচ্ছে না।

লামিয়া – এখন কি করব ভুল করে ফেলছি

মাহিদ – তুই তর ফেইসবুক ইনস্টাগ্রামে যত ছবি আছে ডিলিট কর আর নিজের বান্ধুবি ছাড়া সবাইকে আনফ্রেন্ড কর

কথক – যদিও লামিয়ার ফ্রেন্ড লিস্টে তেমন কেউ ছিলো না কোন ছেলে কে সে অ্যাড করতো না , তবে কিছু মেয়ে ছিলো যাদের সাথে সোশ্যাল মিডিয়াতেই পরিচয় তাই মাহিদ অচেনা সবাইকে আনফ্রেন্ড করতে বলে লামিয়াও মাহিদের কথা শুনে সবাইকে আনফ্রেন্ড করে দেয়
আসলে মাহিদ এই ভেবে বলেছে যে বর্তমান সময় এআই যে পরিমানের মহামারি আকার দারন করেছে যে কেউ চাইলে যে কারো ছবি দিয়ে যা কিছু করতে পারে
তাই লামিয়াও আর দেরি করলো না মাহিদের কথা মতো সবাইকে আনফ্রেন্ড করে দিলো
আর লামিয়া বলেছিলো রবিন কে যেন মাহিদ রিকুয়েস্ট করে বুঝিয়ে বলে মাহিদও আর বেশি কিছু না বলে একটা লম্বা ভাওয়েস দিয়ে রবিন কে সব কিছু বুঝিয়ে বললো এর পর রবিন আর তেমন ভাবে বিরক্ত করে নাই
লামিয়াকে গ্রুম থেকে বাহির হতে বললো মাহিদ সে বাহির হয়ে গেলো
তার পর আস্তে আস্তে লামিয়া আবার আগের মতো নিজেকে ঠিক করে নিলো ।

মাহিদ সব সময় তার পাশে ছিলো ,
মাহিদ আবারও লামিয়াকে ভালোবাসার কথা বলা শুরু করলো লামিয়া আগের মতো অবহেলা না করলেও মাহিদের কথায় রাজি হচ্ছিলো না
একদিন মাহিদ লামিয়াকে বলল

মাহিদ – লামু আমি না সত্যিই তোমাকে অনেক ভালোবাসি তুমি কি আমাকে একটু ভালোবাসতে পারো না?

লামিয়া – মাহিদ আমিও আপনাকে ভালোবাসি

মাহিদ – কিহ! সত্যি তুমি আমাকে ভালোবাসো ?

লামিয়া – হ্যাঁ ভালোবাসি

কথক – লামিয়ার মুখে ভালোবাসি কথা শুনে মাহিদ অনেক খুশি , খুশিতে তার ডান্স করতে ইচ্ছে করছে
লামিয়ার মুখে ভালোবাসি কথা শুনে যেনো লামিয়ার করা ২ বছরের অবহেলার কথা সে নিমিশেই ভুলে গেলো
আজ সে পৃথীবির বুকে সব চেয়ে সুখী ব্যাক্তি তার যেন গত ২ বছর নিয়ে আর কোন অভিযোগ নেই ,
লামিয়াকেও দেখে মনে হচ্ছে সেও খুব খুশি,

আজ মাহিদের আনন্দে আর ঘুম হলো না সে সারা রাত জেগে অনেক স্বপ্ন সাজালো তার প্রিয়তমা লামু কে নিয়ে
কিন্তু সে সুখ কি স্থায়ী হবে?
সকাল হলো সকাল সারে ১০ টা মাহিদ লামিয়াকে মেসেজ দিলো

মাহিদ – কিগো কলিজা কি করছো

লামিয়া – মাত্র নাস্তা করে আসলাম

মাহিদ – কল দেও

কথক – তখনই লামিয়া মাহিদ কে ভিডিও কল দিলো আরেকটা কথা বলে রাখা ভালো মাহিদ আগে থেকেই লামিয়াকে কলিজা লামু এইগুলা বলে ডাকতো ,
লামিয়া মাহিদ কে ভিডিউ কল দিলো লামিয়াকে দেখে মনে হচ্ছে সেও খুব খুশি মাহিদ লামিয়াকে বললো

মাহিদ – অনেক খুসি মনে হচ্ছে তোমাকে দেখে

কথক – লামিয়া তখন লজ্জা মাখা মুখে একটা মুচকি হাসি দিলো

মাহিদ – আচ্ছা লামু একটু বলনা ভালোবাসি

লামিয়া – বলব না

মাহিদ – বলো না প্লিজ

লামিয়া – না

মাহিদ – প্লিজ প্লিজ

লামিয়া – না না না

কথক – মাহিদ লামিয়াকে অনেক রিকুয়েস্ট করার পর
লামিয়া বলতে বাদ্য হলো

লামিয়া – I Love you

মাহিদ – I Love You Tooooooo

কথক – এ ভাবেই তাদের সে দিনটা কেটে গেলো খুন শুটি আর ভালোবাসা দিয়ে
পড়ের দিন
মাহিদ লামিয়াকে ফোন দিলো

মাহিদ – কিগো কলিজা কি কর?

লামিয়া – এই তো বসে আছি

কথক – এভাবেই কিছুক্ষন তাদের কথা চলতে থাকলো এর মধ্যে লামিয়া বলতে লাগলো

লামিয়া – মাহিদ আমরা কিন্তু রিলেশনে নেই
আমি কখনই রিলেশনে যাবো না

মাহিদ – তাহলে যে বললা ভালোবাসো

লামিয়া – দেখেন মাহিদ আমি আপনাকে ভালোবাসতে পারবো না আমি কাউকেই ভালোবাসবো না

কথক – এ কথা শুনে যেন মাহিদের পায়ের নিচের মাটি সরে গেলো মাহিদ এটা শুনার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলোনা
এই তো মাত্র ২ দিন হলো লামিয়া তাকে বললো সে সত্যই মাহিদ কে ভালোবাসে তাহলে এখন কেন এরকম করছে
মাহিদের মনটা যেনো ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে গেলো মাহিদের কান কে সে বিশ্বাস করাতে পাড়ছে না
তখন লামিয়া কিছুটা কান্নার অভিনয় করে মাহিদ কে বলতে লাগলো

লামিয়া – মাহিদ আমাদের সম্পর্কটা কেউ মেনে নিবে না ,

মাহিদ – তুমি শুধু বলো আমাকে ভালোবাসো আমি সব করব যে ভাবে হোক আমি তোমাকে নিজের করে নিব যে কোন মূল্যে

লামিয়া – না মাহিদ আমি আমার বাবা মা কে কষ্ট দিতে পারবো না

কথক – মাহিদ লামিয়া কে অনেক বুঝাতে থাকলো লামিয়া কোন ভাবেই রাজি হলো না , মাহিদ মনে মনে বলছে

মাহিদ – যদি ভালো নাই বাসবে তাহলে কেন ভালোবাসি বললে ? তাহলে কেন ভালোবাসি বলে ক্ষণিকের জন্য আনন্দ দিলে যার ভার আমাকে সারা জীবন বইতে হবে? কেন করলে এরকম টা?

কথক – মাহিদ মনে মনে এইগুলা বলছিলো আর কান্না করছিলো
তখন মাহিদ ডিসিসন নিল অনেক হয়েছে আর না প্রায় আরাই বছর তো হল ।
মাহিদ ভেবে নিলো লামিয়া কে তার মতো করেই থাকতে দিবে সে হয়তো খুব বিরক্ত হয় হয়তো বাদ্য হয়েই বলছে ভালোবাসে,
তখন মাহিদ লামিয়া কে বলে,

মাহিদ – তাহলে ঠিক আছে ভালো থেকো আর কখনো আসবো না তোমার লাইফে তুমি না হয় তোমার মতোই থাকো অনেক তো বিরক্ত করলাম তোমাকে
আমার মনে হয় এবার তোমাকে আমার বিরক্তি থেকে তোমাকে মুক্ত করা উচিৎ

লামিয়া – মাহিদ আপনি কোথাও যাবেন না

মাহিদ – না লামু তুমি ভালো থাকো আমি এটাই চাই আর আমি চলে যাচ্ছি বলে ভাইবো না আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করব না আমি একদিন তোমাকে কথা দিয়েছিলাম
জীবনের শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত তোমার জন্য অপেক্ষা করবো , আমি কিন্তু অপেক্ষা করবো ।

লামিয়া – মাহিদ প্লিজ আমার জন্য অপেক্ষা কইরেন না আমি আসবো না।

মাহিদ – আমি তোমাকে যেটা কথা দিয়েছি সেটাই থাকবে

লামিয়া – আমি আসবো না মাহিদ

মাহিদ – ওকে ভালো থেকো আল্লাহ হাফিজ

লামিয়া – মাহিদ আপনি চলে গেলে রবিন যদি পড়ে কিছু করে তাহলে কি হবে?

মাহিদ – কিছুই করবে না

কথক – হায়রে মাহিদ চলে যাচ্ছে অথছ তার সেটা নিয়ে কোনো ব্রুক্ষেপই নাই অথচ সে ভাবছে রবিন কিছু করলে সে মাহিদ কে কোথায় পাবে
সার্থপর দুনিয়া নিজের কথাটাই মানুষ ভাবে অপর ব্যাক্তিটা তাকে কত টা ভালোবাসলো সেটা সে উপলব্দিয়ই করতে পাড়ল না
সে দিন মাহিদ চলে গিয়েছিলো লামিয়া কে তার মতো থাকতে দিয়ে , তবে সব সময় মাহিদ লামিয়ার সোশ্যাল মিডিয়া গুলার উপর নজর রাখতো এমন কোন দিন নাই মাহিদ লামিয়ার একাউন্ট গুলো চেক করে না
কয়জন অ্যাড হলো কয়জন কমলো বারলো সব নজরে রাখতো মাহিদ
মাহিদ মাঝে মাঝেই লামিয়ার সাথে কথা বলতে চাইতো কিন্তু সে নিজেকে সামলিয়ে নিতো যত কষ্টই হক
তবে কিছু দিন পর পর মাহিদ কে মেসেজ দিতো আর বলতো

লামিয়া – মাহিদ

মাহিদ – হুম কেমন আছো

লামিয়া – ভালো , মাহিদ আপনার মোবাইলে আমার ছবি গুলা ডিলিট করে দিন প্লিজ

মাহিদ – না ডিলিট করব না

লামিয়া – প্লিজ মাহিদ ডিলিট করে দিন

মাহিদ – না আমি প্রতিদিন তোমাকে দেখি তোমাকে না দেখলে আমার ঘুম হয় না প্লিজ ছবি গুলা ডিলিট করতে বইলো না
তুমি তো জানো আমি কখনই তোমার ক্ষতি করবো তার পরেও কেন এরকম করতেছো

লামিয়া – না প্লিজ ডিলিট করে দিন

কথক – লামিয়া কিছু দিন পর পরই এরকম ভাবে এসে মাহিদ কে নক দিয়ে ছবি ডিলিট করার কথা বলতো লামিয়া জানতো মাহিদ কিছু করবে না তবুও তার ভয় হতো সব সময় যদি কিছু করে ফেলে
তবে এই ভয় হয় মাহিদের কারনেই কারন মাহিদ তাকে এরকম ভাবে বুঝিয়েছে সে আর কখনও কাউকো নিজের ছবি দিবে না
লামিয়া রিকুয়েস্ট করতো মাহিদও ছবি ডিলেট করে দিতো আবার লামিয়া কে মাহিদ রিকুয়েস্ট করে কিছু ছবি তার থেকে নিয়ে এভাবেই নির্ঘুমে তার রাত কাটতে থাকল।

প্রায় ৬ মাস পর মাহিদ ঢাকায় আসলো গ্রাম থেকে মনে মনে ভাবলো আজ লামিয়াদের এলাকায় যাবে লামিয়াকে খুজতে
মাহিদ আর লামিয়ার আগে কখনই সরাসরি দেখা হয়নি
মাহিদ তাদের এলাক্র অলি গলি সব খুজে কোথাও লামিয়াকে খুজে পেলো না
সে দিনের মতো বাসায় ফিরে আসলো এরকম ভাবে আবারও সে লামিয়ার এলায় গেলো তাকে খুজতে এবারও ব্যার্থ হলো
মাহিদ ফেইসবুকে লামিয়াকে মিন করে স্ট্যাটাস লিখলো
স্ট্যাটাস টা এরকম ভাবে লিখা ছিলো

মাহিদ – তোমাকে ছবিতে দেখেছি, ভিডিও কলে তোমার কণ্ঠ শুনেছি,
তবু তোমাকে একবার সামনে থেকে দেখার তৃষ্ণা আজও রয়ে গেছে।
তাই তো তোমার শহরের প্রতিটি অলিতে-গলিতে খুঁজেছি,
ভেবেছি, হয়তো হঠাৎ করেই দেখা হয়ে যাবে!
কিন্তু তুমি ছিলে দূরের কোনো মায়ার মতো,
যে ছুঁতে গেলেই হারিয়ে যায়…
অনেকদিন কথা হয়নি, তবু মনে হয়,
আমার প্রতিটি খোঁজ, প্রতিটি অপেক্ষা,
তোমার দিকেই বয়ে চলেছে অবিরত।
কিন্তু তুমি তো আমাকে চাও না,
তাই একদিন আমি নিজেই হারিয়ে যাবো,
তোমার শহরের কোনো এক অচেনা ভিড়ের মাঝে…

কথক – সে দিন রাতেই লামিয়া মাহিদ কে মেসেজ দেয়
আর মাহিদও বললো লামিয়া কে

মাহিদ – আজ তোমাদের এলাক্য গিয়েছিলাম তোমাকে অনেক খুজেছি ২ দিন যাবত কিন্তু একবারো তোমাকে দেখতে পেলাম না

লামিয়া – মাহিদ আপনি আমাকে কেন খুজবেন?

মাহিদ – তোমাকে সামনে থেকে দেখার সে আক্ষেপ তুমি কি বুঝবে

লামিয়া – মাহিদ আপনি কি আমার ছবি ডিলেট করেছেন

মাহিদ – না করবো না যে গুলা আছে এই গুলা আমার শেষ সম্বল

লামিয়া – আপনি কেন আরেক জনের বউয়ের ছবি রাখবেন

মাহিদ – আরেক জনের বউ মানে

লামিয়া – কিছু না

মাহিদ – আচ্ছা তুমি কি এখনও আমকে একটু বুঝলে না

লামিয়া – মাহিদ আমি আপনাকে ভালোবাসি না

মাহিদ – কেন ভালোবাসো না? তুমি কি কাউকে ভালোবাসো?

লামিয়া – না বাসি না আর বাসবও না

মাহিদ – আল্লাহর কসম করে বলো

কথক – লামিয়া কি বলবে বুঝতে পাড়ছে না সে যে তার এক্সের সাথে আবার রিলেশনে গিয়েছে এটা শুনলে মাহিদ কি করবে সে কি বলবে ?

লামিয়া – মাহিদ আমার বয়ফ্রেন্ড আছে

মাহিদ – কিহ তর বয়ফ্রেন্ড থাকলে তুই আমারে এতো গুলা বছর কেন গুঁড়াইলি?

লামিয়া – মাহিদ তার সাথে আমার ৫ বছরের রিলেশন

মাহিদ – কুত্তার বাচ্ছা তুই ৫ বছর দরে আরেক ছেলের সাথে রিলেশন করছ আমার সাথে কেন এরকম করলি?

লামিয়া – মাহিদ তার সাথে আমার ব্রেক-আপ হয়ে গেছিলো

মাহিদ – তার জন্য তুই আমার সাথে টাইমপাছ করছোছ

লামিয়া – মাহিদ প্লিজ আপনি উত্বেজিত হইয়েন না একটু শান্ত হন প্লিজ।

মাহিদ – তুই আমাকে ভালোবাসবি না ভালো কথা শুরু থেকেই সরিয়ে দিতি কেন আমার জীবনের এতো গুলা দিন নষ্ট করলি?

লামিয়া – মাহিদ আমি মানছি আমি ভুল করেছি আপনি প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দিন

মাহিদ – না তোদের মতে মানুষদের আবার কিসের ক্ষমা তদের কোন ক্ষমা নাই

লামিয়া – মাহিদ প্লিজ ক্ষমা করে দেন আপনি আমার কোনো ক্ষতি কইরেন না প্লিজ

মাহিদ – তা কতদিন হলো রিলেশন ঠিক হলো

লামিয়া – ৪ মাস মাহিদ আপনি যাওয়ার পর সে এসে আমার কাছে ক্ষমা চেয়েছে আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছে সেও আমাকে
মাহিদ আপনি কি তার সাথে কথা বলবেন

মাহিদ – আমি কেন তার সাথে কথা বলবো?

লামিয়া – মাহিদ সে আপনার সাথে কথা বলতে চায়

মাহিদ – আমি কোন কথা বলতে চাই না
আমি এতো গুলা বছর তরে বুঝাইলাম আমার ভালোবাসার কোন মূল্য তর কাছে নাই আর সে এতো বছর পর এসে ক্ষমা চাইলো আর তাকে মেনে নিলি বাহ তরা পারছও বটে

লামিয়া – মাহিদ কি করবো আমি তাকে ভালোবাসি আর সেও ভালোবাসে

মাহিদ – তুই যদি তাকে ভালোবাসছ তাহলে আমাকে বললি না কেন এতো বছর?

লামিয়া – মাহিদ আমি ভুল করেছি প্লিজ আমার কোনো ক্ষতি কইরেন না

কথক – মাহিদ লামিয়ার মুখে এই গুলা শুনার পর প্রচন্ড খেপে যায় এটা আসলে রাগের জন্য না এটা হলো তার বিশ্বাস নষ্ট করার জন্য মাহিদ লামিয়া কে অনেক বিশ্বাস
করতো সব সময় বন্ধু মহলে বলে বেরাতো লামিয়ার মতো কোন মেয়ে হয় না , তার ফ্যামিলির ভয়ে সে আমার সাথে রিলেশনে যেতে পাড়ছে আমাকে ভালোবাসলেও সেটা ভালোবাবে প্রকাস করতে পারছে না
অথছ সবটাই ছিলো তার সাজানো নাটক ।
মাহিদ ভাবলো ছেলেটার সাথে কথা বলা উচিৎ মাহিদ ছেলেটার মেসেজের রিপ্লায় দিলো ছেলেটার নাম হৃদয়

হৃদয় – ভাই প্লিজ একটু কথা বলতে চাই

মাহিদ – হুম বলো কি বলতে চাও

হৃদয় – ভাই সে ভুল করছে তার জন্য আমি ক্ষমা চাচ্ছি আপনি প্লিজ তাকে ক্ষমা করে দিন সে আমাকে সব কিছু বলছে সে যা করছে তা ঠিক করে নি

মাহিদ – আমি তাকে কোন দিন ক্ষমা করতে পারবো না

কথক – এভাবেই চলতে থাকে তাদের কথপকথন
মাহিদ কে কোন ভাবেই হৃদয় কনভেন্স করতে পাড়ছে না

পড়ে মাহিদ বাধ্য হয়ে হৃদয় আর লামিয়া কে নিয়ে গ্রুপ করলো
তখন মাহিদ গ্রুপে মেসেজ লিখলো

মাহিদ – বল তোমারা কি চাও?

হৃদয় – ভাই আপনি লামিয়াকে মাফ করে দিন

লামিয়া – মাহিদ আমার ক্ষতি কইরেন না ছবি ডিলিট কইরা দেন

মাহিদ – তুমি আমার মনে যে আগাত দিয়েছো তা আমি কোন দিনও ক্ষমা করতে পারবো না

লামিয়া – আমি তো আপনাকে আগেই বলেছি আমি আপনাকে ভালোবাসি না

কথক – মাহিদ তখন বুকবরা কষ্ট চাপা রেখে বলল

মাহিদ – জানি না তোমরা একে অপরকে কতটা ভালোবাসো
কিন্তু লামু আমি তোমাকে ঠিক কতটা ভালোবাসি তা বলে বুঝানো অসম্ভব।
তুমি আমাকে সুরু থেকে বললে কখনই এরকম হতো না তোমার জন্য আমার মধ্যে ভালোবাসাটা এতো গভির হতো না
তোমার প্রতি এতোটা ধুর্বল হতাম না

লামিয়া – ওয় চলে গেছিলো আমি ভাবছি আর সে আসবে না

মাহিদ – ভালোই তো সে আসবে না ভেবে আরেকজনের মন নিয়ে খেল্লে তাকে নিঃশ করে দিয়ে এখন আবার এক্স কে ফিরে পেয়ে তাকে দরলে
তুমি মনে রেখো তুমি যা করেছে তার ডাবল ফিরে পাবে , আমি কখনই তোমাকে ক্ষমা করব না

হৃদয় – ভাই আমি অর হয়ে আপনার কাছে মাফ চাচ্ছি প্লিজ ভাই আপনি তাকে মাফ করে দিন

মাহিদ – আমি তাকে কখনই ক্ষমা করতে পারবো না , তবে আমি চাই সে ভালো থাকুক আমি তো তাকে ভালোবেসেছিলাম তাকে আর নিজেকে ভালো রাখার আর থাকার জন্য ,
আমি না হয় ভালো নাই থাকলাম আমার প্রিয় মানুষটা ভালো থাক , ভালো থাকুক ভালোবাসা

কথক – মাহিদ তার ভালোবাসার মানুষ লামিয়াকে তার ভালোবাসার মানুষের হাতে তুলে দিয়ে সে তার মতো নির্ঘুমে জীবন কাটাতে লাগলো
মাঝে মাঝে হৃদয়ের কাছ থেকে লামিয়ার খুজ নিতো লামিয়া সেটা জানতো না
এরকম ভাবে কেটে গেলো প্রায় ১১ মাস আজ ১০ জানুয়ারি লামিয়ার বিয়ে
তবে সেটা হৃদয়ের সাথে নয় অন্য কারো সাথে
মাহিদ দেখলো বেচারা হৃদয়ের ফেইসবুক বায়ুতে হৃদয় ভাঙ্গা ইমুজি প্রোফাইল কালো করা
লামিয়ার কোন প্রোফাইল সোশ্যাল মিডিয়ায় নাই ডিজেবেল করে রাখছে ,
মাহিদ এতে অব্যস্থ হয়ে গেছে তাই আর এই কষ্ট টা অরকম ভাবে গায়ে লাগেনি ।

আমাদের আজকের গল্পটা ১০০% সত্য ঘটনা এটা মাহিদ লামিয়া এবং হৃদয়ের জীবন থেকে নেওয়া সত্য ঘটনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *